আব্রহ্মস্তম্ভ পর্যন্ত সকল স্থানে যত প্রাণী বিদ্যমান আছে তাহারা সকলেই এই মহাশূন্যের মধ্যেই অবস্থিত মধ্যে অবস্থিত। ইহাকে ছাড়িয়া থাকিতে পারে না। ইহার বিস্তৃতি অসীম, সুতরাং চিন্তার কি কল্পনার আওতায় আসতে পারে না। অবশ্য অবশ্যই রাতে আকাশে যে অগণিত তারা নক্ষত্রাদি তাহাদের অনেকগুলি এই পৃথিবীর অপেক্ষায় আয়তনে বড় বলিয়া প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানের ভিতরে নির্ধারণ করিয়াছেন।
এই সংসারে ডজন অসহ্য আত্মীয়-স্বজন বাড়িঘর সম্পত্তি আদি এমনকি সম্ভোগের এবং হইতে আমরা অতিমাত্রায় ব্যস্ত হইয়া পড়ি সকলেই পরিবর্তনশীল এবং অস্থায়ী। গারো ঘুমের সময় ইহাদের কে হয়ে থাকে না মন বুদ্ধি অহংকার কিসের অস্তিত্ববোধক থাক কিন্তু প্রাণ বা আত্মা জাহাব মহাপ্রাণের বা পরমাত্মায়ী অংশ তাহাই তাহা তো তখন থাকে। কোন অবস্থায় তাহা পরিত্যাগ করে না এবং তা ছাড়িয়া গেলে আর জীবের জীবদ্দ থাকে না। সুতরাং আপন বলিতে প্রাণী আমাদের আপন এবং জাগতিক অন্য সমস্ত পর্বলীয়া গণ্য করিয়া তাহাদের প্রতি অতিমাত্রায় আসক্তি সর্বদা। শ্রী শ্রী ঠাকুর কোন ভক্তের পত্রের উত্তর লিখিয়াছেন, "ঘুমাইলে কেহই থাকে না। জাগলেই এবং বিভিন্ন অংসান অংশে পতিত হইয়া লোকসকল ভ্রমজালে ঘুরিয়া বেড়ায়।"
(বেদ বাণী প্রথম খন্ড ৩৩৫ নং পত্র)

0 Comments