শ্রীঠাকুরকে লক্ষ মুদ্রা দিতে চাহিলেন

 শ্রীঠাকুরকে লক্ষ মুদ্রা দিতে চাহিলেন ,

শ্রীঠাকুর শুধু হাসিলেন । জয় গুরু <> জয় রাম <> জয় গোবিন্দ । শ্রীশ্রী রামঠাকুর কাশী হইতে নসিংগড়ে গিয়া একটি ডাকবাংলোতে ছিলেন । নসিংগড়ের মহারাজা বাত ব্যাধির রোগী , অনেক চিকিৎ্সা করিয়াও এই রোগের কোন উপশম হয় নাই । নসিংগড়ের মহারাণীর একজন বাঙ্গালী সহচরী ছিলেন । শ্রীশ্রী রামঠাকুর এই ডাকবাংলোতে আছেন জানিয়া তিনি তাঁহার শ্রীচরণ দর্শনার্থে মহারাণীর নিকট ছুটি চাহিলেন । সহচরীটি শ্রীশ্রীঠাকুরেরই আশ্রিতা এবং তাঁহাকে দর্শন করিবার জন্য বড়ই ব্যাকুল হইয়াছিলেন । মহারানী তাহার সহচরীর নিকট হইতে শ্রীঠাকুরের অনেক অলৌকিক বিবরণ শ্রবণ করিয়া স্বীয় বাতব্যাধিগ্রস্থ স্বামীর ব্যাধির মুক্তির জন্য শ্রীঠাকুরের নিকট ঔষধ প্রার্থনা করার সংকল্প করিলেন । মহারাণী সহচরীর সহিত ডাকবাংলোতে গিয়া শ্রীঠাকুরকে তাঁহাদের রাজপ্রাসাদে আসিবার অনুরোধ করিলেন । কিন্তু শ্রীঠাকুর রাজবাড়িতে যাইতে স্বীকৃত হইলেন না । তৎপর তিনি রাজবাড়ীতে ফিরিয়া মহারাজাকে কোন রকমে ডাকবাংলোতে আনিয়া শ্রীঠাকুরের চরণ ধরিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে তাঁহার স্বামীর রোগমুক্তির জন্য কাতর ভাবে প্রার্থনা জানাইলেন , কিন্তু শ্রীঠাকুর নির্ব্বাক । তাঁহারা শ্রী ঠাকুরকে লক্ষ মুদ্রা দিতে চাহিলেন , শ্রীঠাকুর শুধু একটু হাসিলেন । মহারাণী শ্রীঠাকুরের জন্য নসিংগড়ে একটি আশ্রম তৈয়ার করিয়া দিতেও চাহিলেন । মহারাণীর ক্রন্দন , অনুনয়--বিনয়ে ঠাকুরের শ্রীমুখ হইতে রোগমুক্তির কোন কথাই বাহির হইল না । শুধু রোগী মহারাজাকে আশীর্বাদ করিলেন । পরের বৎসর ঐ মহারাজা প্রাণত্যাগ করলেন । " জয়রাম " রোহিণী কুমার মজুমদার , " শ্রীগুরু শ্রীশ্রীরাম ঠাকুর "

Post a Comment

0 Comments