অবাক বিস্ময়ে তাকাইয়া দেখি শ্রীশ্রীঠাকুর নিজ চিত্রপটের সম্মুখে বসিয়া ধূপ, দীপ, শঙ্খ, ফুল, রুমাল ও ময়ূর পাখনা সহকারে নিবিষ্টমনে আরতি করিতেছেন,
চিন্তা করিয়া নিজের সতীধর্ম্মকে নাশ করিয়া কোনই ফল নাই । যাহা হইবার তাহার বাধক কিছুই নাই। সর্ব্বদা ভগবানের নিকট থাকাই ধর্ম্ম। ভগবান ভিন্ন আর কিছুতেই শান্তি দিতে পারে না।
বেদবাণী ১/২৮১
ভগবানের রাজ্যে সুখ দুঃখ শান্তি অশান্তির তরঙ্গ নাই। অনুভূতি যাহা লোকে সাধনাদি সূত্রে লাভ করে তাহা কেবল গুনের বন্টন অবস্থা , তরঙ্গ মাত্র। সত্ত্ব গুনের আধিক্যে সুখ অনুভূতি,রজ গুনের আধিক্যে চঞ্চল নানান চেষ্টা কর্ম করার ইচ্ছা,তম গুনের আধিক্যে নানান অভাব বিষাদ প্রমাদ নানান অশান্তির উৎকর্ষ করিয়া থাকে। অতএব সর্বদা নিধূত' গুনাতীত গুরু বাক্যে আস্থা করিয়া থাকিলে ক্রমে ক্রমে গুন সকল আপন বশবর্তীতে আসিয়া পরমপদ ভক্তির সঞ্চার করিয়া থাকে। ভগবানের নিকটেও অভাবাদি গুন হইতে যাহা হয় তাহা ভগবানকে নিয়াই খেলা করে।
জয়রাম জয়গোবিন্দ 🙏🙏
বেদবানী ১\১৩০
অবাক বিস্ময়ে তাকাইয়া দেখি শ্রীশ্রীঠাকুর নিজ চিত্রপটের সম্মুখে বসিয়া ধূপ, দীপ, শঙ্খ, ফুল, রুমাল ও ময়ূর পাখনা সহকারে নিবিষ্টমনে আরতি করিতেছেন, আমি হতভম্ব হইয়া এই অপুর্ব দৃশ্য অবলোকন করিতেছিলাম। ঠাকুর আরতি সম্পন্ন করিয়া ফিরিয়া আমাকে নত মস্তকে দাঁড়াইয়া থাকিতে দেখিয়া মৃদু হাসিয়া বলিলেন- "গৃহস্বামীর অনুপস্থিতিতে নারায়ণের ভোগের বিলম্ব দেইখা আপনের হইয়া আমিই ভোগ কার্য্য সমাধা করিলাম, এতে দোষের কিছু নাই। এখন বাকি কাজটুকু আপনে সাইরা ফেলান।"
....... পরে পরিবেশ অনুকূল মনে করিয়া প্রশ্ন করলাম, "আজ আপনার চিত্রপটে আপনেই পূজা করিলেন কি রূপে? ঠাকুর- " বহুদিন পর এই চিত্রপটে আইজ গুরুদেব স্বয়ং অধিষ্ঠান করলেন, আমি সেবাইত হইয়া তাঁর সেবার কাজ করার সুযোগ পাইলাম। "এই সেই চিত্রপঠ।
'রামভাই স্মরণে '-
ফনীন্দ্র কুমার মালাকার ।
জয়রাম 🙏🌺🌿
0 Comments