আমরা সাধুর নিকট দিয়া যাইবার সময়
সাধু বলিলেন , " বাচ্চা আও "। হরে কৃষ্ণ 🙏হরে কৃষ্ণ 🙏কৃষ্ণ কৃষ্ণ 🙏হরে হরে 🙏 হরে রাম 🙏 হরে রাম 🙏 রাম রাম 🙏 হরে হরে 🙏 কাশীতে অবস্থান কালে শ্রীঠাকুর একদিন আমাকে নানক ঘটে স্নান করাইতে লইয়া গেলেন । নানকঘাটের সন্নিকটে নানকপন্থীদের একটি আশ্রম ছিল । আশ্রমটির প্রাচীরের বাহিরে বাঁধন স্বল্প পরিসরে একটি চাতাল ছিল । কিছু দূর হইতে দেখিলাম ঐ চাতালের উপর একজন সাধু বাসিয়া আছেন । ঐ সাধু স্থূলকায় লোলচর্ম , সমস্ত দেহের মাংস ঝুলিয়া পড়িয়াছে । এমনকি চক্ষের উপরের চামড়াও এমন ভাবে ঝুলিয়া পড়েছে যে চক্ষুটি একেবারেই ঢাকা পড়িয়া গিয়াছে । আমরা সাধুর নিকট দিয়া যাইবার সময় সাধু বলিলেন , " বাচ্চা আও " । ঠাকুর সেই সাধুর নিকট গেলে তিনি ঠাকুরকে বুকে জড়াইয়া ধরিলেন । অন্য হাতে চক্ষের উপর ঝুলিয়া পড়া চামড়া টানিয়া তুলিয়া বলিলেন , " আচ্ছা হ্যায় তো " ? শ্রীঠাকুর কি বলিলেন বুঝিতে পারিলাম না । সাধুর সহিত অন্য কোন কথাই হইল না । ঠাকুরের সহিত ঘাটের সিঁড়িতে নামিতে নামিতে শ্রীঠাকুরকে জিজ্ঞাসা করিলাম , ঐ সাধু আপনাকে কেন বাচ্চা বলিলেন ? ঐ সাধুর বয়স কত হইবে ? শ্রী ঠাকুর বলিলেন , ঐ সাধুর বয়স আমার চেয়ে অনেক বেশী , তার বয়স প্রায় তিন শত বৎসর । আর কিছু জিজ্ঞাসা করিবার পূর্বে তিনি অন্য প্রসঙ্গ আরম্ভ করিলেন । আমি গঙ্গায় অবতরণ করিয়া অবগাহন করিলাম । স্নান অন্তে ফিরিবার পথে আর ঐ সাধুকে দেখিতে পাইলাম না । " জয়রাম " শ্রী রোহিণী কুমার মজুমদার । " শ্রীগুরু শ্রীশ্রীরাম ঠাকুর " পৃষ্ঠা সংখ্যা ৫৩ হইতে ।
0 Comments