"প্রানোহি ভগবাণীশঃ প্রাণোবিষ্ণুঃ পিতামহঃ। প্রাণেন ধার্য্যতে সর্ব্বং, সর্ব্বং প্রাণময়ং জগৎ।।"

 (শূণ্য ধাতু ভবেৎ প্রাণঃ)

"প্রানোহি ভগবাণীশঃ প্রাণোবিষ্ণুঃ পিতামহঃ।
প্রাণেন ধার্য্যতে সর্ব্বং, সর্ব্বং প্রাণময়ং জগৎ।।"
মনের-অর্থ্যাৎ পূর্ব্ব পারস্থিত ব্যাসকাশীতে রূপলাবণ্যে রস বিরসের তারতম্য দ্বারা প্রলোভিত হইয়া, সত্যরূপ যে অখন্ড অবিনাশী প্রাণ তাঁহাকে ভূলিয়া মনের জল্পনা কল্পনায় বিমোহিত হই বলিয়াই হৃদাকাশ সীমাবদ্ধ রূপের ত্যাগ করিতে পারে না, কারণ, প্রাণের কোন রূপ নাই। মনের দ্বারা সীমাবদ্ধেই রূপের অস্থায়ী বৃত্তির সম্ভোগ ঘটিয়া থাকে। জন্ম মৃত্যু এড়াইতে মনে পারে না, প্রাণেই শক্তিমান জানিবেন। পূর্ণস্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেব অভশিষ্যতে। সকল অবস্থায় পূর্ণ জানিবেন। মনে পূর্ণত্ব নাই, অপূর্ণই জানিবেন। প্রাণকেই পূর্ণমাসী বলিয়া প্রকাশ করিয়াছে। অতএব প্রাণের আশ্রয় নিলে অর্থাৎ শূন্যকে আশ্রয় করিলে প্রভাশূন্য, মনশূন্য, বুদ্ধিশূন্য, নিরাময়, সর্ব্বশূন্য নিরাভাস সমাধি তস্য লক্ষণং, ত্রিশূন্য যখন উপস্থিত হয় তখনই যজ্ঞ সমাপ্ত হইয়া থাকে।। ব্রহ্ম, বেদ, যজ্ঞ, ব্রাক্ষণ করিয়া বিশ্বনাথ অন্নপূর্ণাার অবিমুক্ত ক্ষেত্র করিয়াছেন। ব্যাস অন্নপূর্ণার স্থানে থাকিতে পারে না বলিয়াই পূর্ব্বপার অর্থাৎ মনের কাশী ( জ্ঞান) বলিয়া কীর্ত্তন করিয়াছেন।
বেদবাণী ২য় খন্ড/২০৫
জয়রাম, জয়গোবিন্দ,
গুরু কৃপাহি কেবলম্

Post a Comment

0 Comments