ঠাকুরকে লইয়া আমরা নলিনীদার বাসায় আছি। বেশ আনন্দেই দিন কাটাইতেছি।
নলিনীদা ঠাকুরের একটি ফটো তোলার জন্য একজন ফটোগ্রাফার আনিলে আমি ঠাকুরকে কাপড়-জামা ও চাদর পরাইয়া দোলায় বসাইলাম।
ফটোগ্রাফার ক্যামেরা ফিট করিয়াছেন। আমি ফটোগ্রাফারকে বলিলাম, “আপনি ঠাকুরের নিকট হইতে ফটো তোলার অনুমতি নিন।” তিনি কিন্তু তাহা গ্রাহ্য করিলেন না, পর পর দুইটি 'স্ন্যাপ' লইয়া সন্তুষ্ট মনে বলিলেন, “খুব ভাল ফটো উঠবে, সকালেই প্রুফ কপি দিব।”
পরদিন সকালে ফটোগ্রাফার বিষন্ন বদনে ক্যামেরা লইয়া উপস্থিত হইলেন এবং বলিলেন, একটিও ফটো উঠে নাই। আমি বলিলাম, “আপনাকে ঠাকুরের অনুমতি লইতে বলিয়াছিলাম, গ্রাহ্য করিলেন না। অনুমতি না লইয়া কেহই ঠাকুরের ফটো তুলিতে পারেন নাই ।
আমি আবার পূর্ব্বদিনের মত ঠাকুরকে সাজাইয়া দোলায় বসাইয়া ফটোগ্রাফারকে ঠাকুরের অনুমতি চাহিতে বলিলাম। এবারে ফটোগ্রাফার ঠাকুরকে প্রণামান্তে পা ধরিয়া অনুমতি প্রার্থনা করিলেন। ঠাকুর বলিলেন, “তোলেন।” সেবারে ফটো তোলা ভালই হইল ।

0 Comments